Page Nav

HIDE

Business News

GRID_STYLE

Grid Blog

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Breaking News:

latest

ফুটবল অনুশীলনের সময় ঝিলে তলিয়ে নিখোঁজ ছাত্র, রাত পর্যন্ত চলল তল্লাশি মহিষাদলে

ফুটবল অনুশীলনের সময় ঝিলে তলিয়ে নিখোঁজ ছাত্র, রাত পর্যন্ত চলল তল্লাশিশুক্রবার সকাল থেকে ফের শুরু হবে উদ্ধার অভিযা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মহিষাদল: ফুটবল অনুশীলনের সময় মাঠের পাশের ঝিলে বল পড়ে যাওয়ায় তা কুড়োতে গিয়ে জলে তলিয়ে নিখোঁজ এক ছাত…

 ফুটবল অনুশীলনের সময় ঝিলে তলিয়ে নিখোঁজ ছাত্র, রাত পর্যন্ত চলল তল্লাশি

শুক্রবার সকাল থেকে ফের শুরু হবে উদ্ধার অভিযা



নিজস্ব সংবাদদাতা, মহিষাদল: ফুটবল অনুশীলনের সময় মাঠের পাশের ঝিলে বল পড়ে যাওয়ায় তা কুড়োতে গিয়ে জলে তলিয়ে নিখোঁজ এক ছাত্র। বৃহস্পতিবার দুপুরে মহিষাদল রাজ গ্রাউন্ড সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। নিখোঁজ ছাত্রের নাম রোহন মাইতি। তাঁর বাড়ি চণ্ডীপুর এলাকায়।


স্থানীয় মোহনবাগান ফ্যান ক্লাবের উদ্যোগে বর্তমানে মহিষাদলে আন্তঃস্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতা চলছে। ওই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে মহিষাদলের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। এদিন দুপুরে প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি হিসেবে স্কুলের পড়ুয়ারা মাঠে ফুটবল অনুশীলন করছিল। সেই সময় আচমকাই একটি বল মাঠের পাশের ঝিলে গিয়ে পড়ে। বলটি কুড়োতে জলে নামেন রোহন। এরপরই তিনি গভীর জলে তলিয়ে যান।



ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা মাছ ধরার জাল দিয়ে ঝিলে তল্লাশি শুরু করেন। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে খোঁজ চালিয়েও রোহনের সন্ধান না মেলায় খবর দেওয়া হয় প্রশাসনকে। পরে জেলা বিপর্যয় মোকাবিলা দলের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।



ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরাও। উপস্থিত ছিলেন হলদিয়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক, মহিষাদল থানার অফিসার-ইন-চার্জ, মহিষাদলের বিডিও-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। ঘটনাটি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও খোঁজ নিয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত দশটা পর্যন্ত ঝিলে তল্লাশি চালিয়েও নিখোঁজ ছাত্র রোহনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। গভীর রাত পর্যন্ত উদ্ধারকাজ চালানোর পর আপাতত অভিযান স্থগিত করা হয়। শুক্রবার সকাল থেকে ফের ঝিলে তল্লাশি অভিযান শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

রোহনের সন্ধানে তল্লাশি চলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্কুলের শিক্ষক, পড়ুয়া এবং স্থানীয় বাসিন্দারাও।

No comments