হলদিয়া: সাত শ্রমিককে সাসপেনশনের প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকে হলদিয়ার এক্সাইড ব্যাটারি কারখানার গেটের বাইরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন স্থায়ী শ্রমিকদের একাংশ। সাসপেনশন প্রত্যাহার করে ওই সাত শ্রমিককে অবিলম্বে কাজে পুনর্বহালের দাবিতে আন…
হলদিয়া: সাত শ্রমিককে সাসপেনশনের প্রতিবাদে বুধবার সকাল থেকে হলদিয়ার এক্সাইড ব্যাটারি কারখানার গেটের বাইরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন স্থায়ী শ্রমিকদের একাংশ। সাসপেনশন প্রত্যাহার করে ওই সাত শ্রমিককে অবিলম্বে কাজে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামেন তাঁরা। শ্রমিকদের কাজে যোগ না দেওয়ায় কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে বলে দাবি।
শ্রমিকদের অভিযোগ, হঠাৎ করে কারখানা কর্তৃপক্ষ ইনসেন্টিভ বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। বিষয়টি শ্রম দপ্তর ও প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানানো হয়। প্রশাসনের উদ্যোগে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে একাধিক বৈঠকও হয়। গত মঙ্গলবার হলদিয়া উপশ্রম দপ্তরে পাঁচজন শ্রমিক প্রতিনিধি ও ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষের বৈঠক হয়। সেখানে সমস্যা সমাধানে তিন দিন সময় নেওয়া হয়েছিল বলে শ্রমিকদের দাবি।
এরপরই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। শ্রমিকদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট টার্গেট অনুযায়ী উৎপাদন না হলে বেতন থেকে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। পরে কয়েকজন শ্রমিককে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ট্রান্সফার নোটিশ পাঠানো হয়। সন্ধ্যার দিকে সাত শ্রমিককে সাসপেনশন লেটার দেওয়া হয়।
এর প্রতিবাদে বুধবার প্রায় ৩০০ জন স্থায়ী শ্রমিক কারখানায় প্রবেশ না করে গেটের বাইরে অবস্থান করেন। ফলে কারখানার অটো সাইডে গাড়ির ব্যাটারি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে নতুন করে বৈঠক ডাকা হয়নি বলে শ্রমিকদের দাবি।
হলদিয়ার বিধায়কের প্রতিনিধি অর্ধেন্দু দাস শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, গত দু’মাসে কাজে টালবাহানার জেরে কোম্পানির প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের স্তরে একাধিক বৈঠক হয়েছে। শ্রমিকদের কাছেও দু’দিন সময় চাওয়া হয়েছিল। তবে শ্রমিকরা তা মানতে নারাজ বলে তিনি জানান।


No comments