Page Nav

HIDE

Business News

GRID_STYLE

Grid Blog

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Classic Header

Breaking News:

latest

আড়াইশো বছরের ঐতিহ্যে মহিষাদল রাজবাড়িতে ঝুলন উৎসব।

আড়াইশো বছরের ঐতিহ্যে মহিষাদল রাজবাড়িতে ঝুলন উৎসব।

পাঁচ দিনে পাঁচ বেশে গোপাল, সন্ধ্যায় ভিড় প্রাচীন মন্দিরে।
মহিষাদল রাজপরিবারের কুলদেবতা মদন গোপাল জিউকে ঘিরে প্রাচীন রীতি মেনে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনের ঝুলন উৎসব। প্রতিদিন সন্ধ্যায…

 

আড়াইশো বছরের ঐতিহ্যে মহিষাদল রাজবাড়িতে ঝুলন উৎসব।



পাঁচ দিনে পাঁচ বেশে গোপাল, সন্ধ্যায় ভিড় প্রাচীন মন্দিরে।
মহিষাদল রাজপরিবারের কুলদেবতা মদন গোপাল জিউকে ঘিরে প্রাচীন রীতি মেনে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনের ঝুলন উৎসব। প্রতিদিন সন্ধ্যায় গোপালের ভিন্ন ভিন্ন বেশ দেখতে রাজবাড়ির প্রাচীন মন্দিরে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পাঁচ দিনে পাঁচ রূপে সেজে উঠছেন গোপাল জিউ। কখনও মৎস্য অবতার, কখনও আবার ব্রাহ্মণ বেশে দর্শন দিচ্ছেন তিনি।
ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, ধর্মপ্রাণ রানী জানকিদেবীর আমলেই মহিষাদল রাজপরিবারের সঙ্গে রামানুজ বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের যোগাযোগ গড়ে ওঠে। উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা রানী জানকিদেবী রামানুজ সম্প্রদায়ের আচার-অনুষ্ঠানে আকৃষ্ট হয়ে মহিষাদল রাজবাড়ির গোপাল জিউর মন্দিরে ঝুলন উৎসব চালু করেন বলে ইতিহাসবিদদের দাবি। ১৭৭৮ সালে গোপাল জিউর মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই উৎসবের সূচনা বলে জানা যায়।
প্রথমদিকে নন্দীগ্রাম থেকে আসা রামানুজ ব্রাহ্মণ ইচ্ছারাম মিশ্র এই উৎসব পরিচালনা করতেন। পরবর্তীকালে তিনিই রাজবাড়ির গোপাল জিউর মন্দিরের প্রধান পুরোহিত হন। সেই সময় ফুল, পাতা ও কামিনী গাছের ডাল দিয়ে সাজানো হত গোপাল ও রাধার দোলনা।
বর্তমানে রাজাদের সেকেলে নিয়ম মেনেই উৎসব চলছে। মূল মন্দির থেকে গোপাল জিউ ও রাধাকে ঝুলন বেদীতে এনে দোলানো হচ্ছে। চলছে ভক্তিমূলক স্তোত্র পাঠ। খোল-করতালের শব্দে তৈরি হচ্ছে আধ্যাত্মিক পরিবেশ। রাজবাড়ির কনিষ্ঠ সদস্য রুদ্রপ্রসাদ গর্গও প্রতিদিন উপস্থিত থাকছেন।

No comments